A Preface to Postmodern Philosophy / By: Shikdar Mohammed Kibriah, Bangladesh

 
Shikdar Mohammed Kibriah, Bangladesh
 
 
A Preface to Postmodern Philosophy
 
Four.
Intellectual freedom and sovereignty of the individual are the hallmarks of modern philosophy. The end of the Church’s authority in the pursuit of knowledge and the development and establishment of independent thought in the place of superstition are particularly noteworthy aspects of this philosophy. Medieval philosophy was religion-centered — theology was considered the science of all sciences. In modern philosophy this attitude is changed and introduced the gradual advancement of the natural sciences. In the case of religion too, this independent attitude became embodied. The individual, free from the shackles of the church, accepts not only the Bible but also his own wisdom and conscience as the determinant of truth, and thus seeks direct communication with God without any church medium.
Instead of the supernatural beings interest, attention and attraction towards natural elements became the main preoccupation of modern thought In the question of civilization and progress. The goal of modern epistemology is not merely the pursuit of knowledge, but the material application of knowledge. As a result, we see that almost all proponents of modern philosophy, starting with Francis Bacon (15617-1827), emphasized the practical application of scientific knowledge. Modern philosophy is also called naturalist philosophy because it seeks to explain nature and consciousness without the aid of any preconceptions or revelations. This philosophy is also called scientific philosophy because of its association with the natural sciences. The emergence of modern philosophy was not a dramatic event, just as the collapse of medieval philosophy did not occur abruptly.
In fact, from the middle of the fifteenth century to the middle of the seventeenth century, the Renaissance began to move forward through various experiments of epistemological research for nearly two hundred years. From the end of the fourteenth century to the sixteenth century, the wonderful change that took place in Europe in the practice of science was the Renaissance. Renaissance is also called humanism because of its emphasis on the mere establishment of human welfare in the limited lives of people in the world.
The Renaissance arose in response to medieval philosophy. And the medieval philosophy was purely religious-centered or church-controlled Christianity. Naturally, the Renaissance regarded religion as an obstacle to independent learning and human progress and development. Religion gradually became the antithesis of the Renaissance. As a result, the spread of secularism in every field of knowledge, science, literature and culture began to distinguish the Renaissance. However, the Renaissance neither really become modern nor free from the Middle Ages. But the truth is that modern philosophy originated through this renaissance.
The greatest inspiration and influence of modern philosophy is modern science. Scientific progress began in the late sixteenth century, and its development began in the seventeenth century. That is why the real modern outlook emerged in the seventeenth century. The broader beginnings of various sciences initiated especially by the various muslim philosophers in the Mddle Ages became visible in the modern scientific movement in its real and complete form. The promoters of the scientific movement adopted the natural interpretation policy by abolishing the medieval practice. As a result, revolutionary changes took place in the method and application of knowledge — people’s attitudes also changed. Modern scientists adopted the mechanical principle instead of the widely used and established Aristotle’s objective interpretation. Of particular note are Descartes, the father of modern philosophy, Leonardo da Vinci, Copernicus, Kepler, Galileo, Gasendi and Newton.
It has already been said that the emergence of modern philosophy is a reaction to medieval supernatural beings, the discussion-oriented and religious-centered philosophy. Now it remains to be seen whether modern philosophy has really practiced knowledge or not by rejecting metaphysical issues such as God, the soul, immortality of the soul, the concept of good and evil, morality-immorality, and above all the supremacy of the absolute, and to present a mere scientific philosophy of life. [Ongoing]
 
 
উত্তরাধুনিক দর্শনের পূর্বপাঠ
 
শিকদার মুহাম্মদ কিব্রিয়াহ
 
চার.
ব্যক্তিসত্তার বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আধুনিক দর্শনের বিশেষত্ব। জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে চার্চের কর্তৃত্বের অবসান ও অন্ধবিশ্বাসের স্থলে স্বাধীন চিন্তার বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা এ দর্শনের বিশেষ লক্ষণীয় দিক। মধ্যযুগের দর্শনচিন্তা ধর্মকেন্দ্রিক—ধর্মতত্ত্বকেই গণ্য করা হত সব বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলে। আধুনিক দর্শনে এ-মনোবৃত্তির পরিবর্তন ঘটে—সূচনা ঘটে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের ক্রমিক অগ্রগতি। ধর্মের ক্ষেত্রেও এ-ই স্বাধীন মনোবৃত্তি মূর্ত হয়ে ওঠে। চার্চের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত ব্যক্তিসত্তা কেবল বাইবেলকেই নয়, নিজের প্রজ্ঞা ও বিবেকবোধকেও গ্রহণ করে সত্যের নির্ণায়করূপে এবং এভাবেই কোন চার্চীয় মাধ্যম ছাড়াই সচেষ্ট হয় ঈশ্বরের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ স্থাপনে।
সভ্যতা ও প্রগতির প্রশ্নে অতিপ্রাকৃতের পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপাদান ও উপকরণের প্রতি আগ্রহ, মনোযোগ আর আকর্ষণই হয়ে ওঠে আধুনিক চিন্তার মূল উপজীব্য। নিছক জ্ঞানের জন্যে জ্ঞানচর্চা নয়, বরং জ্ঞানের বস্তুগত প্রয়োগই হয়ে ওঠে আধুনিক জ্ঞানবিজ্ঞানের লক্ষ্য। ফলে আমরা দেখি ফ্রান্সিস বেকন(১৫৬১—১৬২৬) থেকে শুরু করে আধুনিক দর্শনের প্রায় সকল প্রবক্তাই বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগের ওপরই জোর দেন। কোন প্রকারের পূর্বধারণা বা আপ্তবাক্যের সাহায্য ছাড়াই প্রকৃতি ও চেতনার ব্যাখ্যায় সচেষ্ট বলে আধুনিক দর্শনকে প্রকৃতিবাদী দর্শনও বলা হয়ে থাকে। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানসমূহের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে এ দর্শনকে বৈজ্ঞানিক দর্শনও বলা হয়ে থাকে।
স্কলাস্টিক তথা মধ্যযুগীয় দর্শনের পতন যেমন আকস্মিকভাবে ঘটে নি তেমনি আধুনিক দর্শনের উদ্ভবও কোন নাটকীয় ব্যাপার ছিল না। প্রকৃতপক্ষে পনেরো শতকের মধ্যভাগ থেকে সতেরো শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত প্রায় দু’শ বছরের জ্ঞানতাত্ত্বিক অনুসন্ধান-প্রক্রিয়ার বিচিত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়েই রেনেসাঁ অগ্রসর হতে থাকে। চৌদ্দ শতকের শেষভাগ থেকে ষোল শতক পর্যন্ত জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় য়্যুরোপে যে বিস্ময়কর পরিবর্তন সূচিত হয়, তা-ই রেনেসাঁ বা নবজাগরণ। জগতে মানুষের সীমিত জীবনে নিছক মানবীয় কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব আরোপ করার কারণে রেনেসাঁদর্শনকে মানবতাবাদ (humanism) বলেও অভিহিত করা হয়।
রেনেসাঁর উদ্ভব ঘটে মধ্যযুগীয় দর্শনের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ। আর মধ্যযুগের দর্শন ছিল নিছক ধর্মকেন্দ্রিক— বলা চলে চার্চ নিয়ন্ত্রিত খ্রিস্টবাদকেন্দ্রিক। স্বাভাবিকভাবে রেনেসাঁ ধর্মকেই স্বাধীন জ্ঞানচর্চা এবং মানবীয় অগ্রগতি ও প্রগতির প্রতিবন্ধকরূপে গণ্য করে। ক্রমশ ধর্মই হয়ে ওঠে রেনেসাঁর প্রতিপক্ষ। ফলে জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রতিটি ক্ষেত্রেই ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির প্রসার রেনেসাঁকে বিশিষ্ট করতে থাকে। তবে, প্রকৃতপক্ষে রেনেসাঁযুগ মধ্যযুগ থেকে যেমন মুক্ত হতে পারে নি, তেমনি পারে নি আধুনিক হতে। কিন্তু সত্য এটি যে, এ রেনেসাঁর মধ্য দিয়েই আধুনিক দর্শনের উদ্ভব ঘটে।
আধুনিক দর্শনের সবচেয়ে বড়ো প্রেরণা ও প্রভাবক হল আধুনিক বিজ্ঞান। বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির সূচনা ঘটে ষোল শতকের শেষদিকে, আর এর বিকাশ ঘটে সতেরো শতকে। এজন্যেই প্রকৃত আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির উন্মেষ ঘটে সতেরো শতকেই। মধ্যযুগে বিশেষ করে বিভিন্ন মুসলিম দার্শনিকের মাধ্যমে বিভিন্ন বিজ্ঞানের যে ব্যাপকতর সূচনা ঘটে, তারই বাস্তব ও পূর্ণাঙ্গ রূপ দৃশ্যমান হয়ে ওঠে আধুনিক বৈজ্ঞানিক আন্দোলনে। মধ্যযুগীয় প্রথা বাতিল করে বৈজ্ঞানিক আন্দোলনের উদ্যোক্তারা গ্রহণ করেন প্রাকৃতিক ব্যাখ্যানীতি। এর ফলে জ্ঞানচর্চার পদ্ধতি ও প্রয়োগে সূচিত হয় বিপ্লবী পরিবর্তন—বদলে যায় মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিও। বহুল প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত অ্যারিস্টটলের উদ্দেশ্যবাদী ব্যাখ্যানীতির পরিবর্তে আধুনিক বিজ্ঞানীরা গ্রহণ করেন যান্ত্রিক ব্যাখ্যানীতি(mechanical principle)। আধুনিক দর্শনের জনক দেকার্ত, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, কোপার্নিকাস, কেপলার, গ্যালিলিও, গ্যাসেন্ডি ও নিউটনের নাম এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ইতঃপূর্বে উক্ত হয়েছে যে, আধুনিক দর্শনের উদ্ভব মধ্যযুগীয় অতিপ্রাকৃত সত্তার আলোচনা-প্রধান তথা ধর্মকেন্দ্রিক দর্শনের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ। এখন দেখার বিষয় যে, আধুনিক দর্শন কী সত্যি সত্যিই ধর্মীয় অতিপ্রাকৃত সত্তা তথা ঈশ্বর, আত্মা, আত্মার অমরত্ব, শুভ-অশুভের ধারণা তথা নৈতিকতা-অনৈতিকতা এবং সর্বোপরি জগতের পরমসত্তা ইত্যাদি অধিবিদ্যক বিষয় বর্জন করে জ্ঞানচর্চা করেছে কি-না এবং নিছক বিজ্ঞানময় কোন জীবনদর্শন উপস্থাপন করতে পেরেছে কি-না। [ চলমান ]

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s